প্রকাশের সময়: ৯:৪০ অপরাহ্ণ | সোমবার, আগস্ট ২৮, ২০১৭
Close [X]

বরুড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে গ্রাহক হয়রানি

মোঃ রিয়াজ উদ্দিন রানা( বরুড়া প্রতিনিধি)ঃ কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ৪ নং দণি খোশবাস ইউনিয়নের জাঙ্গালীয়া গ্রামের মালু মিয়ার ছেলে মেহেদী হাসানের নামে ১০১ টি মিটার বিদ্যুৎ সংযোগের ১৫ ল টাকা নিয়েও ২ বছর গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২ বছর র্পূবে মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে ১টি মিটারের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে ১৫০০০ টাকা নেয়। মিটারের টাকা দিয়ে ২বছর পেরিয়ে গেলে আজও বিদ্যুৎ সংযোগ পায়নি কোন গ্রাহক। গ্রাহকরা মিটারের কথা বললে সে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তার ভয়ে এলাকার মানুষ আতঙ্কে থাকে। এখন প্রতি মিটারের জন্য নতুন করে ৫০০০টাকা না দিলে মিটার পাবে না বলে জানিয়ে দেয়। সরজমিনে গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়। গ্রাহকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মেহেদী হাসান এই দুই বছরে ১৪-১৫ বার বার তারিখ দিয়েও মিলছে না বিদ্যুতের মিটার। হত দরিদ্র রিক্সা চালক মোঃ মাসুদ বলেন, রিক্সা চালিয়ে কয় টাকা কামাই করি। কারেন্টের জন্য দুই বছর আগে মেহেদী হাসানরে অনেক কষ্টে ১২০০০ টাকা দেই। অন্যদিকে আব্দুর রব নামে আরেক জন গ্রাহক বলেন, আমি ৩টি মিটারের জন্য হাসানকে ৪৫০০০ টাকা দেই। কিন্তু সে আজও আমাদেরকে মিটার দিতে পারেনি। মিটারের জন্য ১২০০০-১৮০০০ টাকা নেয়া হয়। এই টাকা দেওয়ার পরেও গ্রাহক প্রতি ৫০০-৫০০০ টাকা নেয়। গ্রাহকরা বিদ্যুৎ সংযোগের মিটার না পেয়ে হতাশায় ভুগছে। কিন্তু বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছে। এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি গ্রামের লোকদের ভুল বুঝিয়ে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রতারিত হচ্ছেন গ্রামের হত দরিদ্র মানুষ। মেহেদী হাসানের সুষ্ঠ বিচার চেয়ে গ্রাহকরা তাদের টাকা ফেরত চায়। এ ব্যপারে বরুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম নুরুল হুদা বলেন, অভিযোগ পেয়ে তদন্তে পাঠালে এর শতভাগ সত্যতা পাওয়া গেছে। তার বিরুুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে মেহেদী হাসানের মোবাইলে একাধিক বার কল দিলে সে কোন সাড়া দেয়নি।