প্রকাশের সময়: ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, জানুয়ারি ১১, ২০১৭
Close [X]

বিএনপি-জামায়াত জঙ্গিদেরও উস্কে দিচ্ছে

ঢাকা: সন্ত্রাসের জন্য এ দেশের গণআদালতে একদিন বিএনপি-জামায়াতের বিচার হবে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তারা সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের উস্কে দিচ্ছে। বাংলার জনগণই এদের বিচার করবে। গণআদালতে এদের বিচার হবে।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দুপুরের পর থেকে লাল-সবুজের পোশাক পরে হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা নিয়ে সমাবেশ স্থলে জড়ো হতে থাকেন নেতা-কর্মীরা। সমাবেশ শুরুর আগেই জনসমুদ্রে পরিণত হয় উদ্যান। উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মীদের স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

খালেদা জিয়া ও তার নেতৃত্বাধীন জোটের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তার মুখে গণতন্ত্রের কথা! যে মানুষ খুন করে, যারা যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানায়, তাদের হাতে এ দেশের গণতন্ত্র আর তাদের মুখে এ দেশের গণতন্ত্র সুরক্ষার কথা কোনদিন মানায় না।

তার (খালেদা জিয়া) কাছ থেকে আমাদের রাজনীতি শিখতে হবে বা গণতন্ত্রের ভাষা শিখতে হবে- সেটা বাংলাদেশের মানুষ কোনদিন মেনে নেবে না, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষ শান্তিতে আছে, সুন্দর জীবনের স্বপ্ন দেখে। আর মানুষ যখন ভালো থাকে তখন তার বুকে অন্তর্জ্বালা!

বিগত বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের সময়কার সহিংসতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫ সালে বিএনপি নেত্রী আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা করেছেন। মানুষের ওপর জুলুম করেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন ঠেকাবে। কেন ইলেকশন ঠেকাবে? নির্বাচনের সময় হয়েছে, নির্বাচন হবে। তিনি নির্বাচন করতে দিবেন না, নিজেও করবেন না। এই কথা বলে আন্দোলনে নেমে মানুষ হত্যা শুরু করলেন। ২০১৪-তে ছাত্র-শিক্ষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ কেউ তার হাত থেকে রেহাই পায়নি।

হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে নির্বাচন ঠেকাতে পারলো না। ২০১৫ সালে আবার শুরু করলো তাণ্ডব। বাসা ছেড়ে অফিসে এসে বসলেন সরকার উৎখাত না করে ঘরে ফিরবেন না, বলেন প্রধানমন্ত্রী।