প্রকাশের সময়: ১:০৪ অপরাহ্ণ | সোমবার, মে ১, ২০১৭
Close [X]

মে দিবসের পটভূমিতে পোশাকশিল্পের অগ্রগতিতে বাংলাদেশ

হুমায়ুন চৌধুরী:পহেলা মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। এই দিনটি মহান মে দিবস নামে পরিচিত। এই দিনটি সমগ্র বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের নিপীড়িত শোষিত শ্রমিকরা তাদের দাবি-অধিকার মালিক শ্রেণীর কাছে তুলে ধরে। শ্রমিক দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকার এবং মালিক শ্রমিক স¤পর্ক, দায়িত্ব ও কর্তব্যের কথা। পুরাতন সভ্যতা থেকে শুরু করে যুগ থেকে যুগান্তরে আধুনিক সভ্যতার নির্মাণে শ্রমিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। শ্রমিকদের ঘামের প্রতিটি ফোঁটায় নির্মাণ হয়েছে সভ্যতার এক একটি দেয়াল। ১ মে সারাবিশ্বে যে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালিত হয় তাও অর্জিত হয়েছে শ্রমিকদের বুকের তাজা রক্ত বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। এই দিনটি ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শহীদ শ্রমিকদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে পালিত হয়। সেদিন দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে শ্রমিকরা হে মার্কেটের সামনে জমায়েত হয়েছিল। তাদেরকে ঘিরে থাকা পুলিশের প্রতি এক অজ্ঞাতনামার বোমা নিেেপর পর পুলিশ শ্রমিকদের ওপর গুলিবর্ষণ শুরু করে। ফলে প্রায় ১০-১২ জন শ্রমিক নিহত হয়। দাবি আদায়ে শ্রমিকদের সেই আত্মত্যাগকে স্মরণ করতেই ১ মে বিশ্ব শ্রমিক দিবস পালন করা হয়। সারাবিশ্বের মত বাংলাদেশেও এই দিনটি যথাযথ গুরুত্ব ও মর্যাদার সাথে পালন করা হয়। স্বাধীন বাংলার স্থপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর জীবদ্দশায় খেটে খাওয়াক মেহনতি মানুষ তথা শ্রমিকদের দাবি আদায়ের জন্য কাজ করে গেছেন। পশ্চিম পাকিস্থানের শোষকদের কাছ থেকে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের ব্যাপারে তিনি ছিলেন সর্বদা সোচ্চার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ছাত্র, শিক, পেশাজীবী, সাধারণ জনতার সাথে লাখ লাখ শ্রমিক সেই দিন ঝাঁপিয়ে পড়েছিল দেশকে স্বাধীন করার ল্েয। তাই স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জনে শ্রমিকদের আত্মত্যাগ ভুলবার নয়। বর্তমান সময়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা, দেশরত্ম বিদ্যানন্দীনি জননেত্রী শেখ হাসিনা সর্বদা অকান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায়, তাদের ভাগ্যোন্নয়নে। গৃহীত পদেেপর মধ্যে রয়েছে-
১।  শ্রমিকদের অবসর গ্রহণের বয়স ৫৭ থেকে ৬০ বছরে উন্নীতকরণ।
২। শ্রম আইন ও শ্রমনীতি প্রণয়ন, শিশুশ্রম নিরসনে জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি প্রণয়ন।
৩। বিজেএমসির সকল পাটকলগুলোকে পুনরায় চালুর মাধ্যমে বেকার শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে পোশাকশিল্প। পোশাকশিল্পের শ্রমিকের ভবিষ্যত নির্মাণে দেশরত্ম বিদ্যানন্দীনি জননেত্রী শেখ হাসিনা করে যাচ্ছেন নিরলস পরিশ্রম আর নিরন্তর চেষ্টা। এরই ধারাবাহিকতায় দুবছর আগে জননেত্রী শেখ হাসিনা পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরি ৫৩০০ টাকা নির্ধারণ করেন। জননেত্রীর এই যুগান্তকারী পদপেকে সাধুবাদ জানিয়েছে পোশাকশিল্পের মালিক, পোশাক শ্রমিক, অর্থনীতিবিদ তথা বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ। এতে  বিদেশি বড়, নামি-দামি পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে আরও পোশাক কেনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা আমাদের অর্থনীতির জন্য বড় একটি আশীর্বাদ।

চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসে অর্থাৎ জুলাই-অক্টোবর মেয়াদে তৈরি পোশাক খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৮৮২ কোটি ১৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা গত অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসের তুলনায় ৭ দশমিক ০৮ শতাংশ বেড়েছে। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪৫৩ কোটি ৫১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। একই সময়ে ওভেন গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪২৮ কোটি ৬৩ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১ হাজার ৩৩৫ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ওই বছরের প্রথম ৪ মাসে আয় হয়েছিল ৪১৭ কোটি ৪ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আলোচ্য খাতে রপ্তানি ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪১৬ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৪৩ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। আলোচ্য সময়ের মধ্যে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে ৪৫৩ কোটি ৫১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা ল্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আলোচ্য খাতের রপ্তানি আয় ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ওভেন গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১ হাজার ৪৭৩ কোটি ৮৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ওই অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসে আয় হয়েছিল ৪০৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আলোচ্য খাতে রপ্তানি ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬২১ কোটি মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর মেয়াদে ওভেন গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানির ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫০৭ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। এই সময়ের মধ্যে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে ৪২৮ কোটি ৬৩ লাখ মার্কিন ডলার। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আলোচ্য খাতের রপ্তানি আয় ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়েছে। তাছাড়া সরকার অন্যান্য শিল্পের প্রতি এবং এসকল শিল্পে নিযুক্ত শ্রমিকদের প্রতি সুনজর দেওয়ায় রপ্তানি আয় বাড়ছে। শ্রমিকদেরও আর্থিক নিরাপত্তা সহ সার্বিক অবস্থার উন্নতি ঘটছে।

বর্তমানে সারাদেশে ৪০০০ এর অধিক স¤পূর্ণ রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা রয়েছে। তাছাড়া ¯হানীয় পোশাক উৎপাদন কারখানা বা সাবকন্ট্রাক গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি রয়ছে আরো হাজার তিনেক। এসকল কারখানায় কাজ করেন ৪২ লাখেরও অধিক শ্রমিক, যার মধ্যে ৮০ ভাগই নারী। এতে করে নারীরা সংসারের উপার্জনের েেত্র ভূমিকা রাখছে, বাড়ছে তাদের সামাজিক মর্যাদা। এই ৪২ লাখ শ্রমিকের উপরই বাংলাদেশের অর্থনীতির ৯০ ভাগ নির্ভরশীল। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ৩৪২৪ কোটি মার্কিন ডলার যেখানে এই শ্রমিক ভাইদের অবদান ৮২%।দেশের জিডিপিতে যার অবদান ১১%। সরকারের ল ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় করা যার মূল অংশ এই পোশাক শ্রমিকদের মাধ্যমেই স¤পন্ন হবে। তাছাড়া এই পোশাক শিল্পকে কেন্দ্র করে ফরোয়ার্ড ও ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ পণ্যের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটছে। বিশেষত পরিবহন, ব্যাংকিং, প্যাকেজিং, টেক্সটাইল, প্রিন্টিং শিল্পের প্রসারসহ অনেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স¤পাদিত হচ্ছে। এসব অর্জন কিছুটা চ্যালাঞ্জের মুখে পড়েছিল কয়েকটি পোশাক কারখানায় ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার জন্য।তবে সরকারসহ আইলও কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে। অ্যাকর্ড, অ্যালায়েন্স এবিষয়ে কাজ করলেও তাদের মনোভাব প্রশ্মবিদ্ধ।

তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে নিয়োজিত অ্যাকর্ড এবং অ্যালায়েন্সকে আর দেখতে চায় না এই খাতের উদ্যোক্তার। এ জন্য তাঁরা নতুন প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে। নতুন এই উদ্যোগে নেতৃত্ব চায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ডিআইএফ। দেশের উদ্যোক্তারা সারা জীবন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনতেই এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। জানা গেছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিজিএমইএ বোর্ড সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের অপোয় রয়েছে চূড়ান্ত এই খসড়া। বর্তমানে দেশের পোশাক কারখানা সংস্কারে তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংস্কারকাজ তদারকি করাতে হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাকর্ড, অ্যালায়েন্স এবং জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (এনএপি)। এমনকি কোনো কোনো কারখানার নিজস্ব বায়ারের কমপ্লায়েন্সও মানতে হয় তাদের। এ ছাড়া বেটার ওয়ার্ক, ডিআইএফের কমপ্লায়েন্সও আছে।

বহু তদারকিতে উদ্যোক্তাদের যেমন হিমশিম খেতে হয় অন্যদিকে প্রচুর সময়ও অপচয় হয়। তাই সোশ্যাল কমপ্লায়েন্স এবং সেইফটি রিলেটেড ইস্যু, টেকনিক্যাল কমপ্লায়েন্স এবং লেবার রাইটসসহ সব কিছুকে একটি জায়গায় নিয়ে যেতে এ উদ্যোগ ফলপ্রসূ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিভাবে নতুন আঙ্গিকে কাজ করবে ইতিমধ্যে এই নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নতুন প্ল্যাটফর্মে যারা থাকবে এগুলোর মধ্যে রয়েছে র্ব্যান্ড, লেবার ফেডারেশন, বিজিএমইএ এবং ডিআইএফ। এর বাইরে এক্সপার্ট হিসেবে থাকছে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। এ ছাড়া দেশের প্রকৌশলী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আউটসোর্সিং করা হতে পারে।

ডিআইএফ প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে এনএপির আওতায় অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের বাইরে প্রায় এক হাজার ৭০০ কারখানা পরিদর্শন করেছে। তাঁরা এনএপির অধীনে যে কারখানা ছিল এসব কারখানা পরিদর্শন করেছেন। এই কর্মযজ্ঞের সঙ্গে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও স¤পৃক্ত হয়েছে। এতে আর্থিক সহায়তাও দিচ্ছে । প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সালের মার্চের মধ্যে এসব কারখানার সংস্কারকাজ শেষ করবে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে লোক নিয়ে কাজ শুরু করেছে। এই কর্মযজ্ঞ চালানোর জন্য অফিসও হবে আলাদা। আমরা আশা করি আগামী দেড় বছরে ডিআইপির দতা আরো বাড়বে। ২০১৮ সালের বিদেশি ক্রেতা জোটের সঙ্গে চুক্তি শেষ হলে, দেশের পোশাক কারখানাগুলোর সংস্কার তদারকি এগিয়ে নিতে একটি পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। সংস্কার কার্যক্রম কিভাবে এগিয়ে নেওয়া যাবে এ নিয়ে একটি খসড়া করা হয়েছে।

২০১৮ সালের পর দেশের পোশাক কারখানাগুলোর সংস্কার অগ্রগতি পরিদর্শনে সম হবে আশা করা হচ্ছে। এ জন্য সরকার ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী জানুয়ারি থেকে রেমিডিয়েশন কো-অর্ডিনেশন সেল কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হবে। এই সময়ের মধ্যে ডিআইএফ সমতা আরো বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

'সংবিধান charbhadrason mahbubul hasan pinku news of bangladesh newsofbangladesh newsofbangladesh.com newsofbangladesh.net আইন পরিবর্তন মিনিটের ব্যাপার' আফজাল হোসেন খান পলাশ ঐক্যফ্রন্টের ১৬ জনের নাম চূড়ান্ত খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দলের মানববন্ধন চলছে চরভদ্রাসনের হাট বাজারে মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্যের ছড়াছড়ি ; স্বাস্থ্য ইন্সপেক্টরের তদারকি নেই চরভভদ্রাসন জাতীয় নির্বাচন নিউজ অব বাংলাদেশ নিউজ অব বাঙ্গাদেশ পকেটে প্রশ্ন নিয়ে কেন্দ্রের বাইরে শিক্ষক ফরিদপুর জেলা ফরিদপুর যুবদল ফরিদপুর রাজনীতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বিএনপির প্রতি কঠোরই থাকবে আ.লীগ মাহবুবুল হাসান পিংকু সাংবাদিক ফরিদপুর ৭ দফার ভিত্তিতে গণভবনে সংলাপ ‘রাস্তায় গেলে মারও খেতে হতে পারে’!