প্রকাশের সময়: ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৬, ২০১৮
Close [X]

সুনামগঞ্জে অযত্ন আর অবহেলিত খনিজ প্রকল্পে লুটপাট : নিলাদ্রী ডিসি পার্ক ও সিরাজ লেকের সৌন্দর্য নষ্টের পরিকল্পনা

নিউজ ডেস্ক : সুনামগঞ্জ জেলার
তাহিরপুর উপজেলার ট্যাকেরঘাট
দেশের একমাত্র চুনাপাথর খনিজ
প্রকল্প। প্রকল্পটি যাত্রা শুরু করে ১৯৬৬
সালে ১৯৮০ পর্যন্ত প্রকল্পটি লাভবান
ছিল। পরবর্তীতে ক্রমবর্ধমান
লোকসানের কারণে ১৯৯৬ সাল থেকে
বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পটির সকল কার্যক্রম।
খোলা আকাশের নিচে অযত্ন আর
অবহেলায় পড়ে আছে প্রকল্পটির কোটি
কোটি টাকা মূল্যর মূল্যবান
যন্ত্রপাতি।
প্রকল্পর একটি সূত্রে জানাযায়,
এখানে প্রায় ৬০ কোটি টাকার
যন্ত্রপাতি রয়েছে।
জ্বালানি খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের
পেট্রোলিয়াম খনিজ সম্পদ বিভাগ
বিসিআইসির কাছে
১৯৮৪ হস্তান্তর করে এবং এর ৫ বছর পর
বিসিআইসির বোর্ড সভায় তাহিরপুর
ট্যাকেরঘাট খনি
প্রকল্পটি ছাতক সিমেন্ট কোম্পানির
সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়। এই
সময় পরিচালনা ব্যবস্থা ভাল না
হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত
কোম্পানিটির লোকসান হয় এতে
কম্পানিটি লোকসানি কম্পানির
ক্যাটাগরিতে পরে যায় ও
বিসিআইসি কর্তৃপক্ষ প্রকল্পের উত্তোলন
বন্ধ করে ১৯৯৬ সাল থেকে ভারত থেকে
চুনাপাথর আমদানি শুরু করে এবং
ট্যাকেরঘাট খনি প্রকল্পটিকে
আমদানি কেন্দ্রে রুপান্তর করে। ছাতক
সিমেন্ট ফ্যাক্টুরির সঙ্গে সম্মিলিতভাবে ২০০৭ সাল পর্যন্ত
চুনাপাথর আমদানি করে। প্রকল্প বন্ধ
হয়ে গেলে কর্মরত ৩১ কর্মকর্তাকে
ট্যাকেরঘাট থেকে ছাতক সিমেন্ট
কোম্পানিতে বদলি করা হয়। তবে এই
এলাকার ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে আগত
সহস্রাধিক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ে।
কোম্পানি সংশ্লিষ্ট ও তথ্য সূত্রে
জানাযায়, ২টি কোয়ারিসহ
বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১৩ কোটি ২৫
লক্ষ ৫৬ হাজার ৫৩৪ টন চুনাপাথর মজুদ
নির্ধারণ করা হয়।
তবে প্রকল্পের এলাকা থেকে
অপরিকল্পিতভাবে চুনাপাথর
উত্তোলন করায় মজুদ থাকা সত্বেও বন্ধ
হয়ে যায় প্রকল্পটি। পাথর উত্তোলনকৃত
খনির গভীরতা ৩৫
মিটারের বেশি থাকার ফলে এ
খনির উত্তোলন ব্যয় অনেক বেড়ে যায়
ফলে ১৬ লক্ষ ৬৩ হাজার
৭৮৩ টন পাথর উত্তলোনের পর প্রকল্পটি
বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্টরা সূত্রে জানান,
পরিকল্পিত ভাবে উত্তোলন করলে ১
কোটি ৯০ লক্ষ টন চুনাপাথর সংগ্রহ
করা যেত। বর্তমানে মাটির নিচে
অনেক পাথর মজুদ আছে।
প্রকল্পটির জন্য ৩২৭ একর ভূমির মধ্যে ১২০
একর ভূমি খনিজ প্রকল্পের অধীনে আছে।
বর্তমানে ২টি কোয়ারি রয়েছে,এর
মধ্যে বাংগারঘাট খোয়ারী প্রায়
বিলুপ্ত। এদিকে ১৯৯৬ সাল থেকে এই
প্রকল্পের উৎপাদন বন্ধ থাকার ফলে ২০
বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের মেশিন, ৪টি
খনন যন্ত্র, রেল লাইন, রেলের বগিসহ
বিভিন্ন লৌহ যন্ত্র মরিচা পরে নষ্ট
হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া ৮টি ভবন
শ্যাওলা পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ও এছাড়া এ প্রকল্পের চুনাপাথর সহ বিভিন্ন দামি দামি যন্ত্র পাতি চুরি হয়েগেছে যার বাজার মূল্য হতে পারে প্রায় অর্ধকোটি টাকা।

স্থানীয় ও বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে
জানাযায়,বর্তমানে এলাকার প্রভাবশালী
ক্ষমতাবান মেম্বারের জম্মত আলীর
নেতৃত্বে প্রকল্পটির রাস্তা, ২ টি খোয়ারীর বিভিন্ন টিলা হতে ও মাটির নিচে থাকা বিভিন্ন স্থান হতে এবং যেখান প্রকল্পের চুনাপাথর ড্রাম্প করা হতো সেখান থেকে বহু দিন যাবৎ দিনে রাতে অবৈধ ভাবে
পাথর উত্তোলন করছে তার বিভিন্ন
লোকজন দিয়ে।সিরাজ লেকের
খোয়ারীর দক্ষিন পাশে টিলার
দক্ষিনে টিলা সংলগ্ন রাস্তাঘাটসহ খনিজ প্রকল্পের ২য় খোয়ারী বাংগারঘাটের বিভিন্ন টিলা থেকে এ পর্যন্ত যতদূর জানাগেছে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার চুনাপাথর তিনি বিক্রয় করেছেন।গত১৪/০১/১৮ ইং বৃহস্পতিবার প্রায় ১ লক্ষ টাকার চুনাপাথর তিনি পাচার
করেন সিরাজ লেকের খোয়ারীর
দক্ষিন পাশের টিলার দক্ষিন পাশের
রাস্তাঘাট ও খনিজ প্রকল্পের
আওতাধীন ট্যাকেরঘাট বড়ছড়া
জয়বাংলা বাজার সংলগ্ন
বাংগারঘাট খোয়ারী থেকে এ
বিষয়ে টাংগুয়ার হাওরের
দায়িত্বে থাকা ট্যাকেরঘাট গেষ্ট
হাউজে অবস্থানরত ম্যাজিস্ট্রেট কে
জানালে তিনি এ বিষয়ে কোনো
ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

সরজমিন পরিদর্শনে
দেখাযায়,ট্যাকেরঘাট ডিসি
পার্কের শহীদ সিরাজ লেকের
খোয়ারী ও টিলার দক্ষিন পাশে
বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক
লাগিয়ে সাপল,কোদাল দিয়ে
মাটি কেটে পাথর উত্তোলন করছে
এছাড়া এ টিলার পূর্ব দিকের টিলার
পূর্বে বাচ্চু মেম্বারের কয়লার ডিপুর
পশ্চিমে খনিজ প্রকল্পের আর একটি
টিলা থেকে তিনি পাথর উত্তোলন
করাচ্ছেন এবং বাচ্চু মেম্বারের
কয়লার ডিপুর পাশে অনুমান প্রায় ৯
ট্রলিগাড়ি (৯×৩০০০=২৭০০০
হাজার )চুনাপাথর এখনো জমা
রয়েছে যেগুলো কাল ভোর সকালে
এখান থেকে সে অন্যত্র পাচার করবে।

সুশীল সমাজ বলছে,নিলাদ্রী ডিসি পার্কের
আওতাধীন বিভিন্ন স্থানে এ কার্যক্রম
পরিচালনা করায় লেকের সৌন্দর্যে
আঘাত আসছে মাটির নিছ থেকে পাথর
উত্তোলন করায়।সবুজ ঘাসটিও আর সবুজ
থাকছে না রাস্তা ঘাট হয়ে যাচ্ছে
এব্র তেব্র মনে হয় ১০০ বছরের ইঁদুরে
কাটা। এই স্থান গুলিতে এভাবে
চলতে থাকলে একসময় নিলাদ্রী
( শহীদ সিরাজ লেক) আর নিলাদ্রী থাকবে
না হয়ে যাবে জয়বাংলা বাজার
সংলগ্ন খনিজ প্রকল্পের ২য়
বাংগারঘাট খোয়ারী সংলগ্ন
টিলাটির অবহেলিত ১০০ বছরের পরিত্যক্ত স্থানে ইঁদুরে কাটার মতোই।
এভাবে চলতে থাকলে পরবর্তীতে কমতে থাকবে সিরাজ লেকের পর্যটক হারিয়ে ফেলবে নিলাদ্রী ডিসি পার্ক ও শহীদ সিরাজ লেকের সৌন্দর্য এমনটাই বলছেন প্রত্যক্ষদর্শী,সুশীল সমাজের লোকজন তারা শহীদ সিরাজ লেকের কোনো স্থানের সৌন্দর্য
নষ্ট হউক সেটা চায়না।সংশ্লিষ্ট
কতৃপক্ষের সটিক তদারকি চায়।যেনো
শুধু সিরাজ লেক নয় খনিজ প্রকল্পটির
বাংগারঘাট ২য় খোয়ারীটিও নতুন
প্রান ফিরে পায় ১০০ বছরের
অবহেলিত কোনো ইঁদুরে কাটা
জায়গা যেনো মনে না হয়।

অভিযোগ রয়েছে,
তদারকির দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙখলা
বাহিনী ও খনিজ প্রকল্পের
কর্মকর্তাকে মেনেজ করে তিনি এখনো
তার লোকজন কে দিয়ে সংশ্লিষ্টদের
মেনেজ করে এ কার্য পরিচালনা করে
যাচ্ছে।তার কোনো অনিয়ম
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোথাও কোন
অভিযোগ করলে তার অবৈধ কাজে
কেউ বাধা প্রধান করলে মামলা
দিয়ে হয়রানির ভয় দেখানো থেকে
শুরু করে ক্ষমতা দেখিয়ে মারপিট
করেন লোকজনদের তিনি। নিলাদ্রী
লেক গত ০৫/০১/১৮ ইং তারিখে রাস্তা
থেকে চুনাপাথর উত্তলোন করতে মানা করলে ছালাম নামের এক ব্যক্তিকে ক্ষমতা
বলে মারপিট করে জম্মত আলীসহ তার
পিএস আইনশৃঙখলা বাহিনী ও
সাংবাদিক সোর্স পরিচয়ধারী
সুব্রত,মেম্বারের ছেলে সোহাগ সহ
তার অনন্য লোকজন যে বিষয়ে থানায়
একটি অভিযোগ করা হয়েছে বলে
জানাগেছে অভিযোগকারী সূত্রে।

এবিষয়ে সুব্রত ও মেম্বারের সাথে
সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করে তাদের
পাওয়া যায়নি তাদের বিভিন্ন
প্রতিবেশীরা এ বিষয়ে বলেন
ছালাম নামের একজন কে মারপিটের
পর থেকে তাদের বেশি একটা
এলাকায় দেখি না তবে সিরাজ
লেকে ও বাংগারঘাট খোয়ারীতে যেখানে পাথর উত্তলোন করা হচ্ছে সেখানে পাওয়া যেতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি
জানান, খনিজ প্রকল্প থেকে অবৈধ
ভাবে বহুদিন যাবৎ পাথর উত্তলোন
করছে এ চক্রটি এ বিষয়ে আইনশৃঙখলা
বাহিনীর তদারকি দায়িত্ব থাকা
কর্মকর্তাদের তদারকির অভাবে
মেম্বার জম্মত আলীর নির্দেশে এই সব
করা হচ্ছে দেখার যেনো কেউ নেউ
এতে হুমকির মুখে পরতে পারে
পর্টকদের পছন্দের নিলাদ্রী ডিসি
পার্ক ও সিরাজ লেক।

এবিষয়ে খনিজ প্রকল্পের দায়িত্বেরত
অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাসিম
বিষয়টি স্বীকার করে জানান,
গতকাল ২ গাড়ি চুনাপাথর আটক
করিয়েছি। খনিজ প্রকল্পের সিরাজ
লেকে চুনাপাথর পাচারের বিষয়টি
আমি খোঁজ নিয়ে দেখি ওখানে
আনসার আছে।

এবিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক
সাবিরুল ইসলাম যথাযথ ব্যবস্থা
গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে জানান,ওখানে
আমাদের পুলিশ বাহিনী আছে আমি
খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব এবং
এছাড়াও কোনো কিছু আপনাদের
চোখে পরলে নিউজ করবেন আমরা নিউজ দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

উল্লেখ্য গত ০৬ জুন ২০১৭ তারিখে
ঢাকাটাইমস্২৪ সূত্রে জানাযায়
ভিজিএফের তালিকা
তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ
করায় মারধর করে নয়েল নামের এক
শিক্ষক কে ক্ষমতাবলে এ দুর্নীতিবাজ
মেম্বার সহ ওনার ছেলে কে নিয়ে
মারপিট করেন জয়বাংলা বাজারে
পরবর্তীত পুলিশ তাকে এবিষয়ে
ট্যাকেরঘাট পুলিশ পাড়িতে
নিয়েগেলে মহিলা মেম্বার ছখিনা
বেগম তাকে তার মুছলেখার
মাধ্যমে ছাড়িয়ে আনেন।এছাড়া
কারীতাস নামের একটি সংস্থা
থেকে দেওয়া টাকা নিয়ে নয়ছয়
করেন তিনি যে কারনে তখন থেকেই
তিনি এলাকায় সমালোচিত এবং
পূর্বের তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম থাকাকালে
বিজিএফের কার্ডে চাদাঁবাজির
অভিযোগ করে তার বিরুদ্ধে ভোক্ত
ভোগিরা।

'সংবিধান charbhadrason mahbubul hasan pinku news of bangladesh newsofbangladesh newsofbangladesh.com newsofbangladesh.net আইন পরিবর্তন মিনিটের ব্যাপার' আফজাল হোসেন খান পলাশ ঐক্যফ্রন্টের ১৬ জনের নাম চূড়ান্ত খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দলের মানববন্ধন চলছে চরভদ্রাসনের হাট বাজারে মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্যের ছড়াছড়ি ; স্বাস্থ্য ইন্সপেক্টরের তদারকি নেই চরভভদ্রাসন জাতীয় নির্বাচন নিউজ অব বাংলাদেশ নিউজ অব বাঙ্গাদেশ পকেটে প্রশ্ন নিয়ে কেন্দ্রের বাইরে শিক্ষক ফরিদপুর জেলা ফরিদপুর যুবদল ফরিদপুর রাজনীতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বিএনপির প্রতি কঠোরই থাকবে আ.লীগ মাহবুবুল হাসান পিংকু সাংবাদিক ফরিদপুর ৭ দফার ভিত্তিতে গণভবনে সংলাপ ‘রাস্তায় গেলে মারও খেতে হতে পারে’!

Warning: include(/home/newsofbangla/public_html/wp-content/themes/newstimes/custom-style.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/newsofbangla/public_html/wp-content/themes/newstimes/footer.php on line 51

Warning: include(): Failed opening '/home/newsofbangla/public_html/wp-content/themes/newstimes/custom-style.php' for inclusion (include_path='.:/opt/cpanel/ea-php56/root/usr/share/pear') in /home/newsofbangla/public_html/wp-content/themes/newstimes/footer.php on line 51